প্রযুক্তিতে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার না করায় বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
প্রাকৃতিক সম্পদ প্রযুক্তিতে ব্যবহার না করতে পারায় বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। কৃত্রিম উপায়ে বিটিএস নির্মাণ করে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান করায় উচ্চ মাত্রার ছড়াচ্ছে তেজস্ক্রিয়তা। ছোট একটি দেশে প্রায় ৯০ হাজার বিটিএস নির্মাণ করা হয়েছে। অপারেটররাও খুব পরিমান তরঙ্গ ব্যবহার করছে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি তৈরী করছে। যদি সরকার আন্তরিক হয় এবং পর্যাপ্ত তরঙ্গ ব্যবহারে বাধ্য করতে পারে অপারেটরদের তাহলে বিটিএস অধিক পরিমানে তৈরীর প্রয়োজন হবে না। এতে করে জনস্বাস্থ্য রক্ষা পাবে।
মঙ্গলবার (১ল সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তিতে আয়োজিত ‘পরিবেশ আন্দোলনে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা তুলে ধরেন বক্তারা।
আলোচনা সভায় জার্মানী থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন সংগঠনের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন মিয়া। আরো যুক্ত হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন এড. আবু বক্কর সিদ্দিক। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও আবুল কালাম প্রমুখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ই-বর্জ্যরে এখন পর্যন্ত কোন নীতিমালা তৈরী করা হয়নি এবং এ নিয়ে কোন ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে না। দ্রুত ই-বর্জ্যরে ব্যবস্থাপনা তৈরী না করলে প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের সাথে সাথে ই-বর্র্জ্যরে পরিমানও বাড়তে থাকবে। এতে করে প্রকৃতিতে বিপর্যয় নেমে আসার সম্ভাবনাই বেশী।